কোন উপাদান কী কাজকরে, নিচে এটি ধাপে ধাপে দেওয়াহলো:
ধাপ১: ভাজা গম ও চাল (শক্তি ও হজমের পাহারাদার)
- সহজে হজম যোগ্য:গম ও চাল ভেজে নেওয়ার কারণে এর ভেতরের জটিল শ্বেতসার সহজে ভেঙে যায়, যা পরিপাকতন্ত্রের ওপর চাপনা ফেলে দ্রুতহজম হয়।
- ইনস্ট্যান্ট অ্যানার্জি:এটিশরীরকে সঙ্গে সঙ্গে কাজ করারশক্তি জোগায় এবং দীর্ঘসময় পেট ভরারাখে।
ধাপ২: ভাজা ভুট্টা (চোখ ও হার্টের সুরক্ষা)
- অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ:ভুট্টায় প্রচুর পরিমাণে লুটেইন ও জেক্সানথিন থাকে, যা চোখের দৃষ্টিশক্তি ভালো রাখতে সাহায্য করে।
- উচ্চ ফাইবার:এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ভালো রাখে এবং কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে।
ধাপ৩: ভাজা ছোলা (পেশী গঠন ও প্রোটিনের উৎস)
- উদ্ভিজ্জ প্রোটিন:ছোলা হলো প্রোটিনের পাওয়ার হাউজ।এটি শিশুদের পেশী গঠনে, হাড় মজবুত করতে এবং দৈহিক বৃদ্ধিতে দারুণ ভূমিকা রাখে।
- রক্তশূন্যতা দূরীকরণ:এতে থাকা আয়রন শরীরের হিমোগ্লোবিনের মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।
ধাপ৪: বিভিন্ন রকমের বাদাম (মস্তিষ্কের বিকাশ ও ভালো ফ্যাট)
- স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি:কাঠবাদাম, কাজুবাদাম বা চিনা বাদামের মিশ্রণ শিশুদের মেধা বিকাশ ও স্মৃতিশক্তি বাড়াতে অতুলনীয়।
- ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড:বাদামে থাকা ভালো ফ্যাট (Healthy Fats) হার্টকে সুরক্ষিত রাখে এবং ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বাড়ায়।
ধাপ৫: হাতে তৈরি লাল চিনি (নিরাপদ মিষ্টির স্বাদ)
- কোনো কেমিক্যালনেই:রিফাইন করা সাদা চিনির মতো এতে ক্ষতিকর সালফার বা ব্লিচিং এজেন্ট থাকে না।
- প্রাকৃতিক খনিজ:এ মিক্সটির স্বাদ বাড়ায় এবং শরীরে কোনো ক্ষতি ছাড়াই প্রাকৃতিক আয়রন ও ম্যাগনেসিয়ামের জোগান দেয়।

Reviews
There are no reviews yet.